রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার বলেছেন, পশ্চিমারা রাশিয়াকে ভেঙে ফেলতে চায়। এর প্রতিক্রিয়া জানাতেই চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ বাহিনী পাঠিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার উজবেকিস্তানে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনে এ কথা বলেন পুতিন।
গত সপ্তাহে ইউক্রেন নাটকীয়ভাবে রুশ সেনাদের হটিয়ে খারকিভ দখল নেওয়ার পর এই প্রথম যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন পুতিন।
এ সময় ইউক্রেনের অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়ে পুতিন বলেন, আমরাও দেখব কিভাবে এটা (ইউক্রেনের পাল্টা আক্রমণ) শেষ হয়।
উজবেকিস্তানে ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী এসসিও’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবারের সম্মেলনে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং চীন ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা নিয়ে বৃহৎ পরিসরে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহাবাজ শরিফের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন পুতিন।
বর্তমানে জোটটিতে আটটি দেশ স্থায়ী সদস্য হিসেবে রয়েছে। সেগুলো হলো রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও কাজাখস্তান।
২০০১ সালে গঠিত হওয়া এ জোটটির পরিধি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বছর পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য আবেদন করে ইরান। জানা গেছে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে ইরান পূর্ণ সদস্য হবে।
বর্তমানে এই জোটে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া অবজারভার দেশ হিসেবে রয়েছে। অন্যদিকে ডাইলগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কম্বোডিয়া, নেপাল, শ্রীলংকা এবং তুরস্ক।