২০৫০ সালের মধ্যেই পশ্চিম তীরে ১০ লাখ বসতি গড়তে চায় ইসরাইল

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ২০৫০ সালের মধ্যে বসতি স্থাপনকারীদের সংখ্যা ১০ লক্ষে উন্নীত করতে চায় ইসরাইল। ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের উত্তর অংশে বসতি স্থাপনকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধির এ পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছেন ইসরাইলের মন্ত্রীরা। 

দেশটির অনলাইন পোর্টাল ‘নেট’র বরাতে শুক্রবার আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, পরিকল্পনাটি তৈরি করেছে ইসরাইলের বসতি স্থাপন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘সামারিয়া রিজিওনাল কাউন্সিল’। পরিকল্পনার সমর্থনে আছেন অর্থমন্ত্রী নির বারকাত, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী মিকি জোহার, পর্যটনমন্ত্রী হাইম কাটজ ও  অভিবাসন মন্ত্রী ওফির সোফার।  বসতি বৃদ্ধির পরিকল্পনার বিষয়ে ইসরাইল কাউন্সিলের প্রধান ইয়োসি দাগান গত সপ্তাহে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। 

বর্তমানে অঞ্চলটিতে বসবাস করেন ১ লাখ ৭০ হাজার ইসরাইলি। এখানেই বসতি স্থাপন আরও ৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে চায় ইসরাইল। ইসরাইলের প্রকৌশলী, ভূগোলবিদ ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞসহ একটি দল এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রস্তাবগুলো তৈরি করেছেন। পশ্চিম তীরের উত্তর অংশকে চিহ্নিত করতে বাইবেলের ‘সামারিয়া’ শব্দটি ব্যবহার করে ইসরাইল। 

নেট আরও জানায়, প্রস্তাবে পশ্চিম তীরের এই অংশকে রাষ্ট্রীয় জমি হিসাবে দাবি জানিয়েছে দেশটি। আর পশ্চিম তীরের সি এরিয়া বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির অধীনে সি এরিয়াসহ পশ্চিম তীরের সমগ্র অঞ্চল অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমানে সমগ্র পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমজুড়ে ৭ লাখেরও বেশি ইহুদি বসতি স্থাপনকারী অবৈধভাবে বসবাস করছেন।

LEAVE A REPLY