আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।
জাতীয় দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটারের ঠিকানা আবাহনী। বাংলাদেশ দলের তিন সংস্করণের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত থেকে শুরু করে শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, তালিকা অনেক লম্বা। মাঠের খেলায়ও শক্তিমত্তার ছাপ স্পষ্ট, ৯ ম্যাচের ৯টিতে জিতেছে আবাহনী।
জাতীয় দলের খেলা শেষে দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া নাজমুলকে মজার ছলে আবাহনীর এই শক্তির কথাই মনে করিয়ে দিয়েছেন দলটির কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।
আজ মিরপুরে মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আবাহনী এখন জাতীয় দল থেকে…আমি কাল শান্তকে হাসতে হাসতে বলছিলাম, তোর জাতীয় দল থেকে আমার আবাহনী এখন শক্তিশালী। সুতরাং যারা আবাহনীর জন্য প্রতিদিন অনুশীলন করছে, পারফরম করছে, তাদের উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নাই। লিটন দেশসেরা ব্যাটার। ওর জন্য দরজা খোলা আছে।
যদি দলের ও রকম প্রয়োজন পড়ে, অবশ্যই লিটন…সে আবাহনীর হয়ে অনেক বছর ধরে খেলছে। পারফরম করছে। যদিও আমরা তাকে গত দুই বছর অনেক কম পেয়েছি। খেলাতে পারিনি, খেলতে পারেনি।
’
আবাহনী অনেক পেশাদার জানিয়ে মাহমুদ যোগ করেন, ‘আমি মনে করি ওরা (ক্রিকেটাররা) পেশাদার। আমি আমার সেরা দলটাই নেব। শান্ত এসেছে। মোসাদ্দেক খুবই ভালো ছিল শেষ আট ম্যাচে। দিন শেষে আমি চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।
আমি তো বললাম, আবাহনীতে কারো জায়গা নিশ্চিত না। আমি খুবই পেশাদার। আবাহনী অনেক টাকা দেয়। প্রিমিয়ার লিগের অন্য দল থেকে বেশি টাকা দেয় বলে ওরা আবাহনীতে খেলে। লিটন দাস, মোসাদ্দেক, শান্ত, সাইফউদ্দিন ওরা আবাহনীতে অনেক বছর খেলছে। ওরা কিন্তু যেতেও চায় না। তারা আবাহনীতে খেলতে চায়।’