শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য বাবর আজমের

বাবর আজম। ছবি : আইসিসি

১৯৯৬ সালের পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে আইসিসির কোনো টুর্নামেন্ট। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির এই আসরটি পাকিস্তানের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, কারণ দলটির সাফল্য অনেকাংশেই নির্ভর করছে এই টুর্নামেন্টের ওপর। এই টুর্নামেন্টের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান, ২০১৭ সালে যখন পাকিস্তান শিরোপা জেতে, সেই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বাবর আজমের। ২২ বছর বয়সে পাকিস্তানের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এই ব্যাটার।

আবারও দলকে শিরোপা জেতাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত ৩০ বছর বয়সী এই ব্যাটার। 

বাবর বলেন, ‘একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমি খুবই উত্তেজিত, আমাদের ভক্তরাও একইভাবে উৎসাহিত। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর দলে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের দলে নতুন খেলোয়াড়রা এসেছে, জয়ী দলের আমরা মাত্র তিন বা চারজন খেলোয়াড় আছি।তবে দলীয় বিশ্বাস, আত্মবিশ্বাস এবং পরিকল্পনা আগের মতোই রয়েছে।’

গত কয়েক বছর পাকিস্তান ক্রিকেট বেশ চ্যালেঞ্জিং সময় পার করেছে। পরপর দুটি আইসিসি টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়া, কোচিং স্টাফের ঘনঘন পরিবর্তন এবং শেষ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে  যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হারের মতো ঘটনাগুলো দলটিকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে। তবে বাবর আজম অতীতের এই ব্যর্থতাগুলোকে চাপ হিসেবে নিতে নারাজ।

বাবর বলেন, ‘কোনো কিছুর চাপ নেই। অতীতে যা ঘটেছে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আমরা যে ভুলগুলি করেছি তা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি। যখন আপনি কোনো দলের একজন সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে দায়িত্ব পান এবং দল আপনার ওপর নির্ভর করে এবং বিশ্বাস রাখে, তখন আমি এটিকে ইতিবাচকভাবে নিই।’

দেশের মাটিতে খেলার সুবিধাকে কাজে লাগাতে চায় পাকিস্তান।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে করাচিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এবং রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে তারা। তবে ২৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে খেলবে দুবাইতে। বাবর বলেন, ‘যখন আপনি নিজ দেশে খেলেন, তখন একটা বাড়তি সুবিধা থাকে কারণ আপনি কন্ডিশন সম্পর্কে অবগত। তবুও আপনাকে ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে কারণ অন্য দলগুলোও বেশ শক্তিশালী। আমাদের দেশে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

LEAVE A REPLY