বিদ্যুৎ খাতে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতায় ডাকাতি হয়েছে : প্রেস সচিব

রাষ্ট্রীয় সহযোগিতায় বিদ্যুৎ খাতে ডাকাতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘এনার্জি খাতে ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনা দরকার। স্টেট স্পন্সরশিপ করে ডাকাতি হয়েছে এ খাতে। বিদ্যুৎ খাতে স্থায়ী সমাধানের জন্য কাজ করছি।

বড় বড় পাওয়ার কম্পানির সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। আমরা গ্যাসের জন্য প্রচুর পরিমাণ কূপ খনন করতে চাই।’

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘ডিজেএফবি টক’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডেভেলপমেন্ট জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ডিজেএফবি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সংগঠনটির সভাপতি হামিদ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা মুহিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানো হবে। এই বন্দরের দক্ষতা না বাড়লে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে না। রি-এক্সপার্ট করতে গেলে বন্দরের দক্ষতা আরো বাড়াতে হবে।

এ জন্য বিশ্বের বড় বড় কম্পানির সঙ্গে কথা হচ্ছে। আমরা চাই চট্টগ্রামের প্রতিটি বন্দর উন্নয়ন করা হলে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়বে।’

প্রেস সচিব আরো বলেন, ‘ব্যাংকের টাকা চুরি হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামানের নিজের জন্য টানেল হয়েছে। দেশের অর্থনীতি কলাপস হওয়ার মতো অবস্থায় ছিল।ছয় মাসে ইকোনমি যে অবস্থায় কামব্যাক করেছে তা মিরাকল। আমরা এমন এক ইকোনমিক ব্যবস্থা পেয়েছিলাম, জমিদারের মতো হাতে কিছু টাকা পেয়েছি তা বাজে কাজে ব্যবহার। অপচয়কে ট্যাকেল দিতে ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। বাজোটের বড় অংশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘এনার্জি সিস্টেম দক্ষ না হলে কেউ বিনিয়োগ করবে না। পাওয়ার সিস্টেমে ডাকাতির বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দেশের বিনিয়োগ দরকার সেটা করা হয়নি। রেভিনিউ সিস্টেম করছেন তা ভালো ছিল না। হাতে টাকা নেই, যা-তা খরচ করেছে বিগত সরকার। ৫৬০টি মডেল মসজিদ বেশি ব্যয়ে করা হয়েছে, যা আরো কম টাকায় করা যেত। এভাবে রেল লাইন টানা হয়েছে সারা দিনে রেল চলে না। এটা জনগণের টাকার অপচয় করা ছাড়া কিছু নয়।’

LEAVE A REPLY