যে কারণে প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকেন সালমা হায়েক

সালমা হায়েক

বিশ্ব এখন প্রযুক্তিনির্ভর। মানুষের দিন শুরু হয় প্রযুক্তি দিয়ে। জীবনযাপনের বেশিরভাগ অংশজুড়েই প্রযুক্তির ছোঁয়া। তবে প্রযুক্তিময় পৃথিবীতে ব্যতিক্রমী কিছু মানুষও রয়েছেন যারা নিজেদের রেখেছেন এই যান্ত্রিকতার বাইরে।

হলিউড অভিনেত্রী সালমা হায়েক তাদের মধ্যে অন্যতম। এই সময়ে এসেও অভিনেত্রী প্রযুক্তি থেকে নিজেকে দুরেই রাখেন। সম্প্রতি এমনটাই জানালেন সালমা হায়েক।

সালমা হায়েক বলেন, তিনি যতটা সম্ভব প্রযুক্তি থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেন।

তিনি আরও জানান, তিনি সবকিছু হাতে লিখতে ভালোবাসেন, তার কোনো কম্পিউটার নেই, মোবাইল ফোন অল্পই ব্যবহার করেন এবং অনলাইনে কেনাকাটা করেন না। হায়েক আশা করেন, ইন্টারনেটে কম সক্রিয় থাকার মাধ্যমে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত অ্যালগরিদম এড়িয়ে চলতে পারবেন।

ম্যারি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনকে সালমা হায়েক বলেন, ‘এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) মানুষের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেয়, কারণ এতে মস্তিষ্ক অলস হয়ে পড়ে। আমি সবকিছু হাতে লিখি।

আমার চারপাশে কাগজপত্রই থাকে। আমি ফোন খুব কম ব্যবহার করি। আমি অনলাইনে কিছু কিনি না, খাবারও অর্ডার করি না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাকে তেমন চেনে না।’

ট্রেনে ডাকাতি, টয়লেটে লুকিয়ে বিয়ের প্রস্তাব পান অভিনেত্রী

যেমন নিজের খরচ নিজেই চালাতে পছন্দ করেন এ অভিনেত্রী। ২০০৯ সালে পিনোর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সালমা হায়েক। তবে তিনি হলিউডে কাজ চালিয়ে গেছে তিনি নিজের খরচ নিজেই বহণ করে যাচ্ছেন। এর আগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালমা বলেন, ‘আমি আমার জীবনের অনেক অংশের খরচ নিজেই বহন করি। আমার নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উপার্জনের চাপ আছে, এবং আমি এটা পছন্দ করি। এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি আরও বেশি উপার্জন করতে চাই।’

হায়েক আরও জানান, তিনি বেশ কয়েকটি লাভজনক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন, এবং তার স্বামী তার এই উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করেন। তবে অভিনেত্রী এও জানিয়েছেন যে, প্রচুর অর্থ থাকা সত্ত্বেও তিনি অর্থ নিয়ে আলোচনা পছন্দ করেন না, বিশেষ করে অন্য ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে।

LEAVE A REPLY